বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওকালতির রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং তারিখ কত? মমতার ওকালতি নিয়ে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল BAR COUNCIL OF INDIA.
Banglar seva  রাজনীতির ময়দান ছেড়ে এবার কি তবে পুরোদস্তুর আদালতের লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? সুপ্রিম কোর্টের পর বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক নজিরবিহীন নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল গোটা রাজ্য।  ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি মামলায় সওয়াল করতে হঠাৎ-ই আইনজীবীর কালো কোট, গাউন আর সাদা ব্যান্ড পরে এজলাসে হাজির হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।  কিন্তু তাঁর এই ‘আইনজীবী অবতার’ ঘিরেই এবার ঘনীভূত হচ্ছে আইনি বিতর্ক।  যার জেরে অত্যন্ত কঠোর এবং নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল দেশের আইনি পেশার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (BCI)।



নিয়ম অনুযায়ী, কেউ মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রীর মতো বড় পদে থাকলে তিনি আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারেন না।  সেই সময় ওকালতির লাইসেন্স জমা রাখতে হয়।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা ১৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।  এই লম্বা সময়ে তিনি নিয়ম মেনে লাইসেন্স জমা দিয়েছিলেন কি না, আর এখন আবার প্র্যাকটিস শুরু করার আগে আবার অনুমতি নিয়েছেন কি না তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে দেশের আইনজীবীদের মূল নিয়ামক সংস্থা ‘বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া‘ (BCI)।

1. বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলে তাঁর নাম নথিভুক্তকরণ বা এনরোলমেন্ট নম্বর এবং তারিখ কত?
2. রাজ্য বার কাউন্সিলের ‘অ্যাডভোকেটস রোল’-এ তাঁর নাম বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে কি না?
3. মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি কি স্বেচ্ছায় প্র্যাকটিস স্থগিত (Voluntary Suspension) করার আবেদন জানিয়েছিলেন?
4. প্র্যাকটিস পুনরায় শুরু করার জন্য তিনি কি কোনো আবেদন (Resumption) করেছেন যা রাজ্য বার কাউন্সিল গ্রহণ করেছে?
5. বর্তমানে তাঁর ওকালতির লাইসেন্স বৈধ নাকি স্থগিত অবস্থায় রয়েছে?

এদিন মমতার হাইকোর্ট আইনজীবী হয়ে যাওয়ার ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্য বার কাউন্সিলকে জরুরি চিঠি পাঠিয়েছেন বিসিআই এর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি শ্রীমন্ত সেন।  চিঠিতে আগামী ১৬ মের মধ্যে (৪৮ ঘণ্টা) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওকালতির লাইসেন্স ও প্র্যাকটিস সংক্রান্ত সমস্ত নথির সার্টিফাইড কপি তলব করা হয়েছে।



শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ট্রেনের এই একটা টিকিটেই নিজের গোটা জার্নি ট্রিপ কমপ্লিট, সেফ আপনার পকেটও; কী ভাবে বুকিং করবেন এই জার্নি টিকিট জানুন বিস্তারিত।

 এই টিকিট কাটলে কি কি সুবিধা:

এই টিকিট আপনার সময় ও খরচ বাঁচাবে।

এবং দীর্ঘ ট্রেন জার্নিতে বার বার ট্রেন বদলাতে হবে না।

এবং বার বার ট্রেনের টিকিটও কাটতে হবেনা এই সার্কুলার জার্নিতে।

আর খুব সহজেই IRCTC রেলের ওয়েবসাইটে গিয়ে টিকিট কাটতে হয়।


সার্কুলার জার্নি টিকিট:

একটা টিকিটেই একাধিক স্টপেজে নামার সুবিধার জন্য ভারতীয় রেলের তরফে আনা হয়েছে সার্কুলার জার্নি টিকিট। বেড়াতে যাওয়ার সময় আমরা যদি এই সার্কুলার জার্নি টিকিট বুকিং করি, তাহলে ওই একটা টিকিটেই আমাদের আটটি স্টপেজে নামার সুযোগ দিয়ে থাকেই আইআরসিটিসি। এই উপায়ে আমরা একটার জায়গায় আটটি ডেস্টিনেশন ঘুরে দেখতে পারি। বলতে পারেন গোটা ট্রিপ প্ল্যান করে ফেলতে পারেন মাত্র একটা টিকিট থেকে।


সার্কুলার জার্নি টিকিটের নিয়ম:

হ্যাঁ এখানে একটু মনে রাখার প্রয়োজন। আমরা আমাদের টাকা দিয়ে টিকিট কাটলেও, সার্কুলার জার্নি টিকিট কেটে যেখানে খুশি চাইলে আমরা নামতে পারবো না। যে স্টেশন থেকে এই সার্কুলার জার্নি টিকিট কাটা হয়েছে, সেই স্টেশনেই আমাদের যাত্রা শেষ করতে হবে। ধরুন, আমরা যদি হাওড়া থেকে সার্কুলার জার্নি টিকিট কেটে যাত্রা শুরু করলাম, সেক্ষেত্রে আমাদের হাওড়া স্টেশনেই নামতে হবে বা যাত্রা শেষ করতে হবে।


কিভাবে সার্কুলার জার্নির জন্য টিকিট কাটবেন:

স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি সার্কুলার জার্নি টিকিট কাটা যায় না। আইআরসিটিসি-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সার্কুলার জার্নি টিকিট কাটতে হবে। সার্কুলার জার্নি টিকিট কাটলে ফার্স্ট ক্লাস থেকে স্লিপার ক্লাস—যে কোনও ক্লাসে আপনি ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়া এই টিকিট কাটার সময় আপনাকে ভ্রমণের রুট উল্লেখ করতে হবে। অর্থাৎ, ওই টিকিটের মাধ্যমে আপনি কোন-কোন জায়গায় বেড়াতে যেতে চান, সেটা উল্লেখ করতে হবে। সেই মতো টিকিট কাটতে পারবেন। এছাড়া এই একটা সার্কুলার জার্নি টিকিট কেটে আপনি ৮টি ভিন্ন ট্রেনে উঠতে পারবেন এবং ৫৬ দিনের জন্য ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়া ৭,৫৫০ কিলোমিটার মাত্রা করতে পারবেন।


সার্কুলার জার্নি টিকিটের ভাড়া:

এবার আপনার পকেট থেকে কত মাল্লু খরচ করতে হবে এই টিকিটের জন্য।আলাদা আলাদা স্টেশনের জন্য আলাদা আলাদা ট্রেনের টিকিট কাটতে গেলে খরচ বেশি হয়। সেই খরচ থেকে মুক্তি। তবে, সার্কুলার জার্নি টিকিটের ভাড়া কত তা নির্ভর করছে আপনি কোন কোন রুটের টিকিট কাটছেন তা নির্ভর। পাশাপাশি কত দিনের জন্য যাত্রা করছেন এবং প্রবীণ নাগরিক (পুরুষ)-দের জন্য ৪০ শতাংশ ও প্রবীণ নাগরিক (মহিলা)-দের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ছাড় রয়েছে। পাশাপাশি ৫ থেকে ১২ বছর বয়সি বাচ্চাদের ট্রেনের ভাড়া অর্ধেক।

শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫

মোটর ইন্স্যুরেন্স পলিসি কী? #what is the motor insurance policy?
Banglar seva মোটর ইন্সুরেন্স কী?
মোটর ইন্স্যুরেন্স অন্যান্য যে-কোনও ইন্স্যুরেন্স পলিসির মতোই একই, তবে এটি, ‘বাধ্যতামূলক’! কমপক্ষে যেকোনো গাড়ির জন্য থার্ড পার্টি ইন্সুরেন্স থাকা বাধ্যতামূলক।এবং, নাম থেকেই বোঝা যায়, যে এটি এমন একটি ইন্স্যুরেন্স যা সব ধরনের যানবাহনের সাথে সম্পর্কিত, যেমন মোটরসাইকেল, চার চাকা গাড়ি, জিপ,ট্রাক ,লরি অথবা বাণিজ্যিক গাড়ি ইত্যাদি।


সরকার আমার,আপনার সুরক্ষার ব্যাপারটি মাথায় রেখে মোটর ইন্স্যুরেন্সকে বাধ্যতামূলক করেছে। কোনও দুর্ঘটনার জন্য আপনার যা ক্ষতি হতে পারে, তার তুলনায় অনেক কম বার্ষিক প্রিমিয়াম দিয়ে আপনি আরও অনেক বেশি সুবিধা উপভোগ করতে পারেন। 
যেমন- গাড়ি চালাতে গিয়ে আমাদের সাথে অপ্রত্যাশিত ভাবে গাড়ি দুর্ঘটনা হয়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন মানুষ এবং নিজেদের গাড়ি অথবা অন্যান্যদের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়।
এই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের তাদের ক্ষতিপূরণ এবং নিজের,গাড়ির ক্ষতি পূরন করতে এই ইন্সুরেন্স খুব প্রয়োজন। এককালীন অল্প মূল্যে বিমা/ইন্সুরেন্স কিনে কম্পানির কাছে ক্লেম করলে শর্ত অনুযায়ী তারা ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে।

প্রাইভেট কার ইন্স্যুরেন্স পলিসি
এটি হল একটি মোটর ইন্স্যুরেন্স যা যে-কোনও ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য নেওয়া দরকার। যে কোনও দুর্ঘটনা, আগুন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, চুরি যাওয়া এবং মালিকের কোনও আঘাতের ক্ষেত্রে ক্ষতির জন্য আপনার গাড়িটিকে কভার করে। এটি থার্ড পার্টির যে-কোনও ক্ষতি এবং আঘাতকেও কভার করে। তাই ভারতীয় সরকার এবং IRDAI প্রতিটি গাড়ির জন্য ইন্সুরেন্স বাধ্যতামূলক করেছে।

টু-হুইলার ইন্স্যুরেন্স পলিসি
এই ইন্স্যুরেন্স পলিসিটি স্কুটার বা বাইকের মতো দু’চাকার গাড়িগুলিকে কভার করে এবং এটি ভারত সরকার দ্বারা বাধ্যতামূলক। এটি কোনও দুর্ঘটনা, বিপর্যয়, আগুন, চুরি যাওয়া ইত্যাদির পাশাপাশি থার্ড পার্টির কোনও ক্ষতি বা আঘাতের জন্য আপনার সাথে Accident  হওয়া টু-হুইলারকে কভার করে। এটি মালিক তথা চালকের জন্য একটি বাধ্যতামূলক পার্সোনাল অ্যাক্সিডেন্ট কভারও দেয়, যা যাত্রীদের জন্যও নেওয়া যেতে পারে।

কমার্শিয়াল ভেহিকেল ইন্স্যুরেন্স
এই ইন্স্যুরেন্স সেই সমস্ত গাড়িগুলিকে কভার করে যেগুলি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়। ট্রাক, বাস, ভারী বাণিজ্যিক গাড়ি, হালকা বাণিজ্যিক গাড়ি, মাল্টি-ইউটিলিটি ভেহিকেল, কৃষিকাজে ব্যবহৃত গাড়ি, ট্যাক্সি/ক্যাব, অ্যাম্বুলেন্স, অটো-রিকশা, ইত্যাদি গাড়িগুলি এই ইন্স্যুরেন্সের আওতায় আছে।
বিশেষ করে ব্যাবসায়িক গাড়ির জন্য ইন্সুরেন্স অবশ্যই অবশ্যই প্রয়োজন।

ভারতে বিভিন্ন ধরনের মোটর ইন্স্যুরেন্স পলিসি-


থার্ড পার্টি ইন্সুরেন্স কী?
থার্ড পার্টি ইন্স্যুরেন্স হল সবচেয়ে সাধারণ ইন্স্যুরেন্সগুলির মধ্যে একটি; যাতে শুধুমাত্র থার্ড পার্টি অর্থাৎ অন্য পক্ষের ব্যক্তির, গাড়ি বা সম্পত্তির ক্ষতি ও লোকসান কভার করা হয়।

সহজ ভাষায় বললে - ধরে নিলাম রাস্তা দিয়ে আমি/ আপনি গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলাম হঠাৎ একটি গাড়ি এসে আমার/ আপনার গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগলো। এতে তার ভুল অথবা আমার ভুলের জন্য হলো, বিবেচনা না করে তার গাড়ির ক্ষতি হওয়ায় সে আপনার কাছে ক্ষতিপূরণ চাইছে। এই ক্ষেত্রে যদি আপনার থার্ড পার্টি ইন্সুরেন্স করা থাকে ওই ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ আপনার থার্ডপার্টি কম্পানি পূরন করবে।
এবং ওই ব্যক্তিকে থার্ডপার্টি হিসেবে ধরা হয়।

কম্প্রিহেন্সিভ
কম্প্রিহেন্সিভ ইন্স্যুরেন্স হল সবচেয়ে মূল্যবান ধরনের একটি ইন্স্যুরেন্স যা থার্ড পার্টির দায়বদ্ধতা এবং আপনার নিজের বাইকের ক্ষতি উভয়ই কভার করে।

উপরে আলোচনা করলাম থার্ডপার্টি ইন্সুরেন্স নিয়ে। শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ করা হয়।
কিন্তু এই Comprehensive পলিসি Accident হওয়া দুই ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ কভার দিয়ে থাকে।
এবং অন্যান্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে।
এই পলিসি সবথেকে সেরা তাই এটির প্রিমিয়াম দাম বেশি হয়।
এবং বিভিন্ন কম্পানি বিভিন্ন কভার প্রদান করে। তাই এর প্রিমিয়াম ভিন্ন হয়।

এছাড়া আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করে আমাদের চ্যানেলের ভিডিও দেখতে পারেন



শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫

বাম্পার টু বাম্পার ইন্সুরেন্স কী? সুবিধা গুলি কী?
Banglar seva বাম্পার টু বাম্পার হল সাধারণত কম্প্রিহেনসিভ(First party)কার ইন্স্যুরেন্স পলিসির সাথে একটি ‘অ্যাড-অন’ হিসেবে আসে, সামান্য অতিরিক্ত প্রিমিয়াম দিয়ে। 


সবার আগে বোঝা যাক বাম্পার টু বাম্পার কভার কাকে বলে।

সহজ ভাষায়, এটি একটি কার ইন্স্যুরেন্স অ্যাড-অন যা আপনার গাড়ির প্রতিটি ইঞ্চি কভার করে, নির্দিষ্ট কিছু ইঞ্জিনের ক্ষতি, টায়ার, ব্যাটারি এবং কাঁচ বাদ রেখে। এটি আপনার জন্য এক সুপারহিরো যেটি গাড়ির ক্ষতি হওয়ার মতো দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় আপনার গাড়িকে 100% কভারেজ দেয়, যা সাধারণ কার ইন্স্যুরেন্স পলিসি দেয় না।

 

এটিকে জিরো ডেপ্রিসিয়েশন বা মূল্যহ্রাস-শূন্য কার ইন্স্যুরেন্স কভারও বলা হয়। তার কারণ এই যে, এটি ইন্স্যুরেন্স কভার থেকে মূল্যহ্রাস বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ কভারেজ সুনিশ্চিত করে।

এই কভারটি 2009 সালে ভারতে চালু করা হয়েছিল, তারপর থেকে এই প্ল্যানটি অনেক গাড়ির মালিকদের কাছে আশীর্বাদের মতো, বিশেষ করে নিম্নল্লিখিত ক্ষেত্রে:

একজন নতুন গাড়ির মালিক অথবা এমন কেউ, যার গাড়ির বয়স 5 বছরের কম
নতুন বা অনভিজ্ঞ ড্রাইভার
দামী স্পেয়ার পার্টস-যুক্ত উচ্চমূল্যের বিলাসবহুল সুপার কারের মালিকরা
যেসব এলাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে সেখানে/আশেপাশে বসবাসকারী মালিকরা
যদি আপনি এমন গাড়ির মালিক হন যিনি ছোটখাটো ডেন্ট ও আঘাত নিয়েও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন

বাম্পার টু বাম্পার ইন্সুরেন্স সুবিধা গুলি কী কী?
তাই এটি বিশেষভাবে তাঁদের কাছে জনপ্রিয় যাঁরা নতুন গাড়ির মালিক, যাঁরা নিজেদের ঝাঁ-চকচকে নতুন গাড়িতে সামান্য ডেন্ট বা স্ক্র্যাচ সম্পর্কেও চিন্তিত এবং যারা ব্যয়বহুল স্পেয়ার spare parts যুক্ত দামি গাড়ির মালিক হতে চান। এমন গাড়ির মালিকদের যখন 100% কভারেজের জন্য অতিরিক্ত প্রিমিয়াম দিতে বলা হয়, তাঁদের কাছে গাড়ির সুরক্ষার জন্য এটি নেহাতই একটি ছোট্ট মূল্য বলে মনে হয়।

সুবিধা গুলি হল:-


digit car insurance
Up to 90% Off with PAYD Add-On

Click here for new car

I agree to the  Terms & Conditions

বাম্পার টু বাম্পার কার ইন্স্যুরেন্স কভার

বাম্পার টু বাম্পার ইন্স্যুরেন্স কী?

তুলনা করে দেখুন: বাম্পার টু বাম্পার কভার সহ এবং সেটি ছাড়া কম্প্রিহেন্সিভ পলিসি

বাম্পার টু বাম্পার কভার সহ

বাম্পার টু বাম্পার কভার ছাড়া

শূন্য ডেপ্রিসিয়েশন সহ 100% কভারেজ দেয়

ডেপ্রিসিয়েশনের পরে কভারেজ দেয়

সামান্য বেশি প্রিমিয়াম

সাধারণ পলিসি প্রিমিয়াম

এটি 5 বছর বা তার বেশি বয়সী গাড়িকে কভার করে না

পুরনো গাড়িকে কভার করে

বাম্পার টু বাম্পার ইন্স্যুরেন্স বেছে নেওয়ার আগে এই বিষয়গুলি বিবেচনা করুন

বাম্পার টু বাম্পার কার ইন্স্যুরেন্সের সুবিধা